Launch of New Website of all India Baisnab Samaj

ABOUT US

OUR

STORY

বৈষ্ণৱ সমাজ তৈরী হলো কেন চৈতন্য চরিতামৃত হইতে প্রাপ্ত সূত্র অনুযায়ী ভগবান বিষ্ণুর 

অবতার গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু মানব জগতে আগমন করেছিলেন ১৪ই ফেব্রূয়ারি ১৪৮৬ সনে এবং ইহলোকে তাহার লীলা ১৫৩৪ সন পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। ভারতবর্ষের তথা সমগ্র বিশ্বের মানুষকে তিনি শিখিয়েছিলেন এবং দেখিয়েছিলেন “শান্তি ও মুক্তির পথ “‘  ।

তিনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব যাহার অসীম জ্ঞান ও কর্মদক্ষতা, নেতৃত্ব , পৌরুষ, ক্ষিপ্রজ্যোতি

বাচনভঙ্গি ,সাহস, কোমলতা, দৃঢ়তা, অভিজ্ঞতা, দূরদৃষ্টিতা, চিন্তন শক্তির  দ্বারা তিনি

যে বৈষ্ণৱ আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন এবং একটি ধর্ম দ্বারা অপর ধর্মকে আঘাত করার প্রবণতা

দৃঢ়তার সাথে রোধকরে, প্রকৃত সর্বধর্ম সমন্বয় , কুসংস্কার থেকে মানুষকে মুক্ত সঠিক

ধর্মপালন করা, জাতপাতের যে অস্পৃশ্যতা তাকে শেষ করে সমাজের তাপশীলি জাতির

মানুষদের যোগ্য সম্মান ও ব্রাহ্মণবাদের গোড়ামির বিরোধিতা করে সমাজের সকল শ্রেণীর

মানুষকে সাথে নিয়ে যে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন এবং চৈতন্যদেব ওই

মধ্যযুগের অন্ধকার সময় নারী শিক্ষা ও নারীদের পরমাত্মার অংশ রূপে যে স্বীকৃতি দিয়েছেন

তাহার বর্ণনা চৈতন্য চরিতামৃত তে বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে, দূরদৃষ্টি সম্মান এই মহান সমাজ

বিজ্ঞানী জানতেন আগামীদিনে পৃথিবী যে ভয়ঙ্কর সমস্যার সম্মুখীন হবে সেই জনসংখ্যার

জনবিস্ফোরণ থেকে রক্ষা করার উপায় তিনি বৈষ্ণৱ দর্শনের নিগুড় তত্ত্বে দিয়ে গেছেন ( গোপন তত্ত্ব )

গণতন্ত্রের সংজ্ঞা বা প্রকৃত গণতন্ত্রের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হচ্ছে চৈতন্যদেব এবং তাহার

চিন্তাভাবনায় গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা ও তাহার সাথে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ বৈষ্ণৱ

সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। চৈতন্য মহাপ্রভু এমন

একজন জননেতা ছিলেন যিনি অহিংসা অসহযোগ গণ আন্দোলনের প্রথম

প্রবর্তন করেছিলেন যাহা পরবর্তীকালে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে আমাদের দেশের

মহান বিপ্লবীদের কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করেছে ইংরেজদের থেকে ভারতমাতা কে স্বাধীন

করার জন্য চৈতন্যদেব শূদ্রদের প্রতি প্রেম, সমস্ত জাতের মানুষের প্রতি

ভালোবাসা সহ জীব জন্তুদের প্রতি সহানুভূতি সেই মধ্যযুগীয় বর্বরতার

মুলে কঠোর আঘাত করেছিলেন , যাহা পরবর্তী সময়ে ভারতমাতার আরেক মহান সন্তান

জগৎজয়ী সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দের ভাবনাচিন্তা ও তাহার বাণীতে প্রতিফলিত হয়েছে।

শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু যে জীবনশৈলী গোটা বিশ্বের মানুষকে দিয়ে গেছেন তার অপরিসীম

গুরুত্বই তাকে নিমাই পন্ডিত থেকে ভগবানের অবতার চৈতন্য মহাপ্রভু করে তুলেছে সমগ্র

বিশ্বের মানুষের কাছে তিনি শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য পুরুষোত্তম।

অথচ আজ এই একবিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানের চরম উন্নতিতে যে অত্যাধুনিক জীবনযাপন

মানুষ উপহার পেয়েছে তার সুফল এবং কুফল দুটোই মানুষকে ভোগ করতে

হচ্ছে।  আমরা যেন ধীরে ধীরে একটা আত্মকেন্দ্রিক যান্ত্রিকতার যুগে প্রবেশ করে গেছি যেখানে আমরা বড্ডবেশি স্বার্থপর হয়ে পড়েছি , যেখানে প্রেমের বড্ডো অভাব বা বলা ভালো প্রেমের মানেটাই বদলে ফেলা হয়েছে পুরোটাই আমাদের দেহসৰস্ব হয়ে পড়েছে আত্মার সন্তুষ্টি কিসে সেটা খোঁজার 

চেষ্টা করিনা আর এই সুযোগেই কিছু অসাধু মানুষ সবকিছুতেই ব্যবসা করে 

নিজেদের মুনাফা অর্জন করে চলেছে ধর্মকেও বাদ দেওয়া হচ্ছে না বলা 

ভালো ধর্ম দিয়েই ব্যবসার ফাঁদ পেতে বসেছে অকল্পনীয় লাভের আশায় 

কারণ তারা ভালোভাবেই জানে ” ধর্ম হলো ভারতবর্ষের প্রাণ ” যার ফল 

স্বরূপ ভাই ভাইকে মারছে, মা সন্তান হারা হচ্ছে, স্ত্রী  স্বামী হারা হচ্ছে, শিশু 

ধর্ষণ ও হত্যা হচ্ছে নারীদের প্রতি অত্যাচারের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে , ধরিত্রী মাতা রক্তে 

ভিজে যাচ্ছে, বাড়ছে, কালোবাজারি, খুন, ধর্ষণ, লুঠতরাজ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, 

চতুর্দিকে অপসংস্কৃতির জয় জয়কার, বেকারত্ব বাড়ছে এমনকি পশু 

কেনা বেচার মতো মতো মানুষ কেনা বেচা হচ্ছে। 

এই সবের পাশাপাশি বিজ্ঞান দ্বারা যে সব প্রযুক্তি মানুষ পেয়েছে তার অতিরিক্ত 

ব্যবহার বা অপব্যবহার মানব জাতি কে ধীরে ধীরে বিনাশের সন্ধিক্ষণের দিকে নিয়ে 

চলেছে এখনই যদি এই বদভ্যাস মানব জাতি বর্জন না করে তাহলে অচিরেই এই মানব সভ্যতা 

চিরতরে পৃথিবী থেকে মুছে যাবে।  মানুষের  কল্যানে  বিজ্ঞানের দেওয়া উপহার ই আজ মানুষের 

নিজের দোষে অভিশাপে পরিণত হয়েছে ১) প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করার যে ভ্রান্ত 

চেষ্টা তার ফলে উত্তরাখণ্ডের ব্যাপক ধ্বংসলীলা প্রকৃতির তাণ্ডব আমরা দেখেছি।  ২) বিভিন্ন 

রাষ্ট্র এর প্রতিরক্ষার নাম যে পারমানবিক বোমার পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আর ফলে ঘটে যাই “সুনামির”

মতো ঘটনা যাতে ৪৫ লক্ষ্য মানুষ মারা গেছে। 

৩) অতিরিক্ত ফসল ফলানোর জন্য সব মারাত্মক কীটনাশক ও ঔষধ ব্যবহার,করে খাদ্যের ভালো গুন্ নষ্ট করে দিয়ে বিষাক্ত করে তুলেছে যার ফলে বিভিন্ন মারণ রোগ আক্রান্ত হচ্ছে মানবসভ্যতা।  এয়ার কনডিশনের  ব্যবহার, অতিরিক্ত গাড়ির ব্যবহার , অত্যিরিক্ত শিল্পায়ন ফলের বিষাক্ত সমস্ত গ্যাস 

নির্গমন হয় ক্রমাগত আমাদের বায়ুমণ্ডল কে দূষিত থেকে দূষিততর  করে চলেছে যার ৫) ফল স্বরূপ 

গ্রীন হাউস এফেক্ট ও গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর সৃষ্টি হয়ে মেরুঅঞ্চলের পুরো বরফ স্তরেও ফাটল ধরিয়েছে 

গ্লেসিয়ার গলতে শুরু করেছে ভয়ঙ্কর বিপদ ধেয়ে আসছে আমরা এখনো উপলব্ধি করতে পারছিনা। ৬) অতিরিক্ত নগরায়নের জন্য যে ভাবে বন্যাঞ্চল ধ্বংস করা হচ্ছে, জলাভূমি ভরাট করা হচ্ছে তাতে 

বাস্তুতন্ত্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যাহার ফলে   অতিবৃষ্টি এবং অনাবৃষ্টির সৃষ্টি হচ্ছে অর্থাৎ খরা ও বন্যা দুটোই হচ্ছে ভূমি ক্ষয় বাড়ছে নগর জীবন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বায়ুস্তরে কার্বন ডাই অক্সাইড , ধূলিকণা ও মিথেন, আমোনিয়ার মতো বিষাক্ত গ্যাসের মাত্রা বেড়েই চলেছে। 

We Do and Our Objectives:

❖ Empowerment of women and girls from poor and marginalised communities, leading to
improvement in their lives and livelihoods.
❖ Promoting and protecting rights of women and children.
❖ Eliminating harmful practices such as child marriage, female genital
mutilation, and all forms of physical, sexual and psychological violence.
❖ Prevention of gender discrimination.
❖ Undertake primary needs of shelter, food and clothing.
❖ Emotional support and counselling to women and children without any social or economic
support.
❖ Health education and awareness of communicable and noncommunicable diseases.
❖ Awareness of mental disorders and eradication of stigma associated with it.
❖ Disaster management and preparedness.
❖ Fight for labour rights based on equality of opportunity.
❖ Prevention of cruelty to animals and awareness about welfare and protection of animals.
❖ Identification and treatment of drug addict and create awareness about ill effects of
alcoholism and other substance abuse on individual, family and society
❖ Promoting peace and harmony among all religions .

AWARDS & CERTIFICATES

Close Menu